Accounting System
মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা হয়। নির্দিষ্ট সময় পর প্রতিষ্ঠানের ফলাফল জানা এবং আর্থিক অবস্থা নিরূপন করা একান্ত অপরিহার্য। কিন্তু কিভাবে তা জানা সম্ভব?
আদি কাল থেকেই মানুষ তাদের ব্যবসায়িক কর্মকান্ড সুষ্ঠু, সুশৃঙ্খল ও স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং গ্রহণযোগ্য পদ্ধতিতে সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা উপলদ্ধি করে আসছে।
অবশেষে ১৪৯৪ সালে আবিষ্কৃত হয় দু’তরফা দাখিলা পদ্ধতি বা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে হিসাবসমূহ সংরক্ষণ ও ফলাফল নির্ণয়ের এক নতুন কৌশল ।
তখন থেকেই সারা পৃথিবীতে এই পদ্ধতিতে হিসাব সংরক্ষণ করে আসছে। অবশ্য কিছু ছোট ছোট প্রতিষ্ঠান উক্ত হিসাব পদ্ধতির বাইরে গিয়ে অবৈজ্ঞানিক, অসম্পূর্ণ ও অগ্রহনযোগ্য পদ্ধতিতেও হিসাব সংরক্ষণ করে।
যাকে একতরফা পদ্ধতিতে হিসাবরক্ষণ বলা হয় ।
সুতরাং বলা যায় হিসাবরক্ষণ পদ্ধতি নিম্নোক্ত দুই ধরনের হয়ে থাকে :
1.দু’তরফা দাখিলা/বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি;
2.এক তরফা বা অজ্ঞৈানিক পদ্ধতি ।