Contribution of Luca Pacioli in developement of Accounting
লুকা প্যাসিওলির বইটির প্রথম দুটি অংশে যথাক্রমে পাটিগণিত ও জ্যামিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। তৃতীয় অংশে তিনি হিসাবরক্ষণের (Book keeping) ওপর ৩৬টি অধ্যায় লিপিবদ্ধ করেছেন।
হিসাবরক্ষণের এই অংশটি ১৫০৪ সালে পুন:মুদ্রিত হয় । হিসাবরক্ষণের এই অধ্যায়গুলোর নাম ছিল “ডি কম্পিউটিস অব স্ক্রিপটুরিস” (De Computis of Scripturis)।
আভিধানিক অর্থ গণনা ও লেখা সংক্রান্ত (Of Reckoning and Writings) এই অধ্যায়গুলোতে তিনি দু’তরফা দাখিলা পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।
এই অধ্যায়গুলোর প্রথম ভাগটি মজুত সম্পদ সংক্রান্ত তথা Inventory সংক্রান্ত এবং দ্বিতীয় ভাগটি বিন্যাস সংক্রান্ত বা Disposition সংক্রান্ত। ইহাতে Memorial, Journal
সংক্রান্ত এবং Quaderno (Ledger) নামের তিনটি হিসাব বই এবং উহাতে দাখিলা (Entry) সমূহ লিপিবদ্ধ করার নীতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
প্যাসিওলির মতে, ‘No point must be omitted, if possible put dear also what words were exchanged during the
transaction. লেনদেনসমূহ যখনই ঘটে সঙ্গে সঙ্গে ইহা Memorial বইতে লিখে পরে তারিখ অনুযায়ী ডেবিট ক্রেডিট নির্ণয় করে Journal বইতে একটি নির্দিষ্ট ছকে লিপিবদ্ধ করতে হয় ।
Journal হতে লেনদেনগুলো Ledger (খতিয়ান) এর সংশ্লিষ্ট হিসেবে স্থানান্তরের সূত্রসহ পূর্ণ ব্যাখা, শুদ্ধতা যাচাইয়ের জন্য রেওয়ামিল প্রস্তুতকরণ এবং নামিক হিসাবগুলোকে লাভ লোকসান হিসাবের
মাধ্যমে মূলধন হিসেবে স্থানান্তর সম্পর্কে বিশদ আলোচনা করেন। এছাড়া প্যাসিওলি অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। কারবার প্রতিষ্ঠানের হিসাব নিকাশে ভুল-ভ্রান্তি, জালিয়াতি ইত্যাদি
যাতে সহজে উদ্ঘাটিত হয় সে জন্য অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবহার উল্লেখ করে হিসাব পরীক্ষা করার পরামর্শ দিয়েছেন। ইহা ছাড়াও প্যাসিওলি শাখা হিসাব, অংশীদারি হিসাব এবং ব্যাংক লেনদেন সম্পর্কেও
কিছু ইঙ্গিত দিয়েছেন। প্যাসিওলির এই পুস্তক হিসাব রক্ষণাবেক্ষণকে বিজ্ঞানে রূপান্তরিত করেছে । তাই লুকা প্যাসিওলিকে হিসাববিজ্ঞানের জনক বলে অভিহিত করা হয়। যা হোক, দু’তরফা দাখিলা পদ্ধতি
সম্পর্কিত লুকাপ্যপ্যাসিওলির এ পুস্তক ও অন্যান্য বিচার বিশ্লেষণে এই তিনশত বছর ধরে হিসাব পদ্ধতি ও তত্ত্ব সম্পর্কিত যে উন্নয়ন ঘটেছে তা সংক্ষেপে
আলোচনা করা হলো:-
ক. দ্বৈত সত্তা ধারণা (Dual Aspect Concept);
খ.পৃথক সত্তা ধারণা (Seperate Entity Concept);
গ.চলমান প্রতিষ্ঠান ধারণা (Going Concern Concept);
ঘ.হিসাবকাল ধারণা (Periodicity Concept);
ঙ.অর্থের একক পরিমাণ ধারণা (Money Measurement Unit Concept);
চ. তত্ত্বাবধান হিসাব (Stewardship Accounts);
ছ.ব্যাখ্যামূলক পুস্তক প্রকাশ (Publication of Descriptive Books);
জ. সমালোচনামূলক প্রবন্ধ প্রকাশ (Publication of Critical Articles);