Course Content
হিসাব পদ্ধতি এবং বিশেষ খতিয়ান (জাবেদা )
Accounting Systems And Special Journal
0/3
নগদ নিয়ন্ত্রণ
Control of Cash
Principles of Accounting

Dual Aspect of Transaction

লেনদেনের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো দ্বৈতসত্তা বা দু’পক্ষ । দু’তরফা দাখিলা পদ্ধতি অনুসারে প্রতিটি লেনদেনের অবশ্যই দু’টি পক্ষ থাকতে হবে ।
কারণ একটি পক্ষের মাধ্যমে কোন লেনদেন সংঘটিত হওয়া সম্ভব নয় । হিসাবরক্ষণের নিয়ম অনুসারে একটি পক্ষকে ডেবিট এবং অন্য পক্ষকে ক্রেডিট করে লিপিবদ্ধ করা হয় ।
দ্বৈতসত্তা অনুযায়ী লেনদেনের সাথে দুটি প্রান্তবিন্দু জড়িত থাকে । একটি প্রান্ত থেকে প্রবাহটি শুরু হয় এবং অন্য প্রান্তে পৌঁছায়, যে প্রান্তে এসে পৌঁছে সে পায় এবং তাকে ডেবিট করা হয়।
আর যে প্রান্তে প্রবাহটি শুরু হয় তাকে ক্রেডিট করা হয় । অতএব দু’তরফা হিসাব ব্যবস্থায় দ্বৈত বলতে টাকা বা তার সমতুল্য কিছুর যে প্রবাহ হয় তার দুই প্রান্তবিন্দুর কথা বোঝানো হয় ।
এই নিয়ম ব্যক্তিক, নৈর্ব্যক্তিক নির্বিশেষে সব হিসাব খাতে প্রযোজ্য আর এই ধারণার উপর ভিত্তি করে হিসাব সমীকরণ A=C+L এর সৃষ্টি হয়েছে ।

উদাহরণ – মিঃ করিম ৫০০ টাকা দিয়ে একটি আসবাবপত্র ক্রয় করল এখানে আসবাবপত্র আসল তাই আসবাবপত্র হিসাব ডেবিট এবং নগদ টাকা চলে গেল তাই নগদান হিসাব ক্রেডিট করতে হবে।
অর্থাৎ লেনদেনটিতে দ্বৈতসত্তা বিদ্যমান।
পরিশেষে বলা যায় দ্বৈতসত্তার মূল কথা হলো কোন লেনদেন হতে হলে দু’টি সত্তা বা পক্ষ লাগবে যার জন্য সমপরিমাণ টাক ডেবিট ও ক্রেডিট হবে।

Bookmark