Value Added Tax-VAT.
কর আদায়ের যে বিভিন্ন প্রক্রিয়া রয়েছে তার মধ্যে ভ্যাট একটি পরোক্ষ কর আদায় প্রক্রিয়া।
অভ্যন্তরীণ সম্পদ বৃদ্ধির উদ্দেশ্য ১৯৯১ সালের জুলাই মাস থেকে বাংলদেশে ভ্যাট ব্যবস্থা চালু হলেও বিশ্বে এ প্রক্রিয়া নতুন নয় ।
সাধারণভাবে বলতে গেলে পণ্যের উৎপাদন ব্যয়ের উপর নির্দিষ্ট হারে আরোপিত কর হতে উপকরণাদির উপর আরোপিত করের ব্যবধানকেই মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট বলে।
“মূল্য সংযোজন” সম্পর্কে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ব্যাখ্যা হলো, উৎপাদক তার কাঁচামাল বা ক্রীত পণ্যের মূল্যের সাথে নতুন বা উন্নততর পণ্য বিক্রয় করার পূর্বে যে ব্যয় বা মূল্য যুক্ত করা হয় তাকে মূল্য
সংযোজন বলা হয় ।
উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, কোন কাঁচামালকে তৈরি পণ্যে রূপান্তর করার জন্য যে বিভিন্ন ব্যয় হয় (যেমন মজুরি, পরিবহন কারখানার বিভিন্ন ব্যয় ঋণকৃত চলতি মূলধনের সুদ এবং মুনাফা ইত্যাদি)
অর্থাৎ কাঁচামালের সাথে যা যুক্ত হয় তাকেই মূল্য সংযোজন বলা হয় । নিম্নে মূল্য সংযোজন বিষয়টি চিত্রের সহায্যে দেখানো হলো :
কাঁচামালের ব্যয় + মজুরি, পরিবহন, কারখানার ব্যয়, ঋণকৃত চলতি মূলধনের সুদ ইত্যাদি + মুনাফা = বিক্রয় মূল্য
মূল্য সংযোজন
সমীকরণের সাহায্যে :
VAT = (পণ্যের বিক্রয় মূল্য × ভ্যাটের হার) – ( পণ্যের ক্রয় মূল্য> ভ্যাটের হার)।
বাংলাদেশের বর্তমানে ভ্যাটের হার ১৫% । তাই উপরোক্ত সমীকরণটিকে আমরা নিম্নরূপে লিখতে পারি :
VAT = (পণ্যের বিক্রয় মূল্য x 15%)-(পণ্যের ক্রয়মূল্য ×১৫%)।