Course Content
হিসাব পদ্ধতি এবং বিশেষ খতিয়ান (জাবেদা )
Accounting Systems And Special Journal
0/3
নগদ নিয়ন্ত্রণ
Control of Cash
Principles of Accounting

Special Journal

দু’তরফা দাখিলা পদ্ধতির নিয়ম অনুযায়ী কারবারী লেনদেন সমূহকে একটি সাধারণ জাবেদার মাধ্যমে লেখা এবং তা খতিয়ানভুক্ত করা সম্পর্কে পূর্বেই আলোচনা করা হয়েছে।
কিন্তু বাস্তবে যেসব প্রতিষ্ঠানের আয়তন ছোট এবং লেনদেনের সংখ্যা কম তাদের ক্ষেত্রে একটি সাধারণ জাবেদার মাধ্যমে সকল লেনদেনসমূহকে লিপিবদ্ধ করা হলেও বৃহদায়কার কারবার প্রতিষ্ঠান
যাদের লেনদেনের সংখ্যা অনেক বেশি তাদের ক্ষেত্রে একটিমাত্র হিসাবের বইতে সকল লেনদেনকে লিপিবদ্ধ করা অত্যন্ত কষ্টকর। এমনকি নানাবিধ জটিলতারও সৃষ্টি করে। এরূপ অবস্থায় হিসাববদরা জাবেদা
বহিকে বিভিন্ন শ্রেনীতে ভাগ করেন। এগুলো হলো ক্রয় জাবেদা, বিক্রয় জাবেদা, নগদ প্রাপ্তি জাবেদা, নগদ প্রদান জাবেদা, সাধারণ জাবেদা ইত্যাদি। এক্ষেত্রে ক্রয় জাবেদায় শুধুমাত্র বাকিতে ক্রয় লিপিবদ্ধ করা হয়,
বিক্রয় জাবেদায় শুধুমাত্র বাকিতে বিক্রয় লিপিবদ্ধ করা হয়। নগদ প্রাপ্তি জাবেদায় সকল প্রকার নগদ প্রাপ্তি, নগদ প্রদান জাবেদায় সকল প্রকার নগদ প্রদান দেখানো হয়, সাধারণ জাবেদায় অবশিষ্ট সকল
লেনদেন লিপিবদ্ধ করা হয়।

কোন কোন লেনদেনেগুলোকে বিশেষ জাবেদার অন্তর্ভূক্ত করা হয়?

যেসব লেনদেন পুনঃপুন সংসঠিত হয় এবং একই লেনদেনের জন্য বার বার একই রূপ জাবেদার প্রয়োজন পড়ে সেসব লেনদেনের ক্ষেত্রে ঝামেলা এড়ানোর জন্য বিশেষ জাবেদা করা হয়ে থাকে।
যেমন- ক্রয়, বিক্রয়, নগদ প্রাপ্তি, নগদ প্রদান ইত্যাদি লেনদেনগুলো বার বার সংগঠিত হয় বিধায় এদের জন্য বিশেষ জাবেদা প্রস্তুত করা হয়ে থাকে
উপরোক্ত আলোচনা শেষে বলা যায় দু’তরফা দাখিলা পদ্ধতির নিয়ম অনুযায়ী লেনদেনগুলোকে তাদের ধরন অনুযায়ী শ্রেণী বিন্যাস করে কয়েকটি বহিতে লিপিবদ্ধ করার প্রক্রিয়াকে বিশেষ জাবেদা বলা হয়।
অর্থাৎ বিশেষ জাবেদা আর কিছুই নয় বরং এটি হলো জাবেদার শ্রেণী বিন্যাসিত উপস্থাপনা ।

Bookmark