Why ledger is called ‘King of all books’?
হিসাব নিকাশকরণ সংক্রান্ত কর্মধারায় খতিয়ানের স্থান অতীব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ প্রাথমিক পর্যায়ে জাবেদায় লিপিবদ্ধকৃত লেনদেনগুলোকে শ্রেণীবিন্যাস করে পৃথক পৃথক শিরোনামায়
খতিয়ানস্থিত সংশ্লিষ্ট হিসাব খাতে স্থানান্তর করা হয়। ফলে খতিয়ানস্থিত বিভিন্ন হিসাবখাত সমজাতীয় লেনদেনগুলোর স্থায়ী রেকর্ডের একমাত্র মাধ্যম বলে গণ্য হয়। তাই কারবারের আর্থিক
অবস্থার পূর্ণাঙ্গ তথ্যাবলী খতিয়ান হতেই পাওয়া যায়। সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে, হিসাব-নিকাশ সংক্রান্ত কার্যক্রমে খতিয়ান একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার । এতভিন্ন খতিয়ান হতে কারবার প্রতিষ্ঠানের
নিম্নলিখিত সুবিধা ও উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়িত হয় :
1.লেনদেনের স্থায়ী হিসাব সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়।
2.যে কোন সময় লেনদেনের বিস্তারিত বিবরণ জানা যায় ।
3.কোন নির্দিষ্ট হিসাব কাল শেষে এর উদ্বৃত্ত নিয়ে রেওয়ামিল প্রস্তুত করে হিসাবের গাণিতিক শুদ্ধতা যাচাই করা যায় ।
4.কারবার প্রতিষ্ঠানের মোট দেনা-পাওনা ও সম্পত্তির পরিমাণ সম্বন্ধে জ্ঞাত হওয়া সম্ভব হয় ।
5.কারবার প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন প্রকার আয়-ব্যয়ের তুলনামূলক বিচার করা সম্ভব হয় ।
6.হিসাব-নিকাশ সংক্রান্ত জালিয়াতি উদ্ঘাটন ও প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়।
7.এর মাধ্যমে হিসাবের ভুল-ভ্রান্তি নিরসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় ।
8. লেনদেনের মধ্যে ডেবিট ও ক্রেডিটের অবস্থা সহজেই নিরূপণ করা যায়।
9.এর মাধ্যমে কারবারের সফলতা বা ব্যর্থতা পর্যালোচনা করা যায়।
উপরোক্ত আলোচনা হতে বলা যায় যে, খতিয়ান হিসাব রক্ষণের সকল উদ্দেশ্য সাধন করে । খতিয়ানের মাধ্যমে কারবার প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন ধরনের লেনদেনের ফলাফল সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলী সঠিকভাবে
নির্ণয় করা সম্ভব হয় । খতিয়ান ছাড়া অন্য কোন বই হতে উপরোক্ত বিষয়গুলো জানা সম্ভব নয় । এ কারণেই খতিয়ানকে সকল বইয়ের রাজা বলা হয় ।