Course Content
হিসাব পদ্ধতি এবং বিশেষ খতিয়ান (জাবেদা )
Accounting Systems And Special Journal
0/3
নগদ নিয়ন্ত্রণ
Control of Cash
Principles of Accounting

Accounting Equation

কোন লেনদেন সংঘটিত হতে গেলেই দু’টি পক্ষ দরকার একটি দাতা, অন্যটি গ্রহীতা এবং তা সমপরিমাণ। আর এই তথ্যের উপর ভিত্তি করেই একটি পক্ষ ডেবিট এবং অন্য পক্ষটি ক্রেডিট
অর্থাৎ দু’তরফা দাখিলা পদ্ধতির সৃষ্টি। আধুনিক হিসাব শাস্ত্রবিদগণ হিসাবরক্ষণের এই নীতির উপর ভিত্তি করে একটি গাণিতিক সূত্র প্রকাশ করেছেন যা হিসাব সমীকরণ নামে অভিহিত ।
এই সূত্র অনুযায়ী মোট সম্পদের পরিমাণ এবং মোট দায়ের পরিমাণ সব সময় সমান হবে। অর্থাৎ হিসাব সমীকরণটি হলো :

 

Assets (A) = Liabilities (L) + Owners Equity (OE)
Or, A = L+OE

হিসাব সমীকরণ প্রক্রিয়ার মূল তত্ত্ব হলো, সম্পদ = দায় + মালিকানা স্বত্ব । যে কোন লেনদেনের ফলে এই সমতার নীতি তথা ভারসাম্য অবস্থা অটুট থাকে এবং কারবারের স্থিতিপত্রের মাধ্যমে এই সমীকরণ
প্রক্রিয়া প্রমাণিত ও প্রকাশিত হয়। স্থিতিপত্র হলো প্রতিষ্ঠানের আর্থিক অবস্থার কালান্তিক প্রতিবিম্ব। প্রত্যেকটি লেনদেনের প্রভাবে ইহার তিনটি মৌলিক উপাদান তথা (১) সম্পদ (Assets),
(২) দায় (Liabilities) এবং (৩) মালিকানা স্বত্ব (Owner’s Equity) পরিবর্তন হয়। মালিকানা স্বত্ত্বের উপাদান ৪টি : (১) মালিকের মূলধন (Owner’s Capital)
(২) রাজস্ব বা আয় (Revenues) (৩) খরচ (Expenses) এবং (৪) মালিকের উত্তোলন (Owner’s drawing)।

অর্থাৎ মূলধনের সাথে রাজস্ব বা আয় যোগ এবং খরচ ও মালিকের উত্তোলন বাদ দিলে মালিকানা স্বত্ত্ব পাওয়া যায়।
সুতরাং হিসাব সমীকরণের বর্ধিত রূপটি দাড়ায় নিম্নরূপ :

Assets = : Liabilities + Capital + Revenue – Expenses- Drawing.
Or, A = L + C + RE – D

Bookmark